# তার নিয়ন্ত্রণে চলে মাদকের বিশাল সিন্ডিকেট
# রয়েছে মাদক, হত্যাসহ একাধিক মামলা
# সক্রিয় চোরাচালানে
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের মাদক সম্রাট খ্যাত মনির কিছু দিন আগে আলোচিত শাহজাহান হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন যাবৎ জেল কেটে আসলেও সম্প্রতি সময়ে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ অপকর্মে জড়িয়ে চারিদিকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের।
তথ্য সুত্রে জানা গেছে, এই মনির আলম (৩৩) তিনি উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ধামনখালী এলাকার জবর মল্লুকের পুত্র। তার সাথে মিয়ানমারের একাধিক শীর্ষ মাদক ও চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজশ মাদকের রমরমা ব্যবসার তথ্যও একাধিক সুত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তার নিয়ন্ত্রণে পুরো পালংখালী জুড়ে চলছে মাদকের রাজত্ব।
দীর্ঘ অনুসন্ধানে জানা যায়, সীমান্তের ধামনখালী পয়েন্ট ও রহমতের বিল হয়ে থাইংখালী খাল দিয়ে প্রতি নিয়ত মাদকের চালান তুলেন এই মনির। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা, মারামারি, হত্যা মামলাসহ হাফ ডজন খানেক মামলা। অনুসন্ধান বলছে, গত ২০২৩সালের শেষের দিকে থাইংখালী উত্তর রহমতেরবিল এলাকার সিরাজুলু হকের ছেলে শাহজানকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে মনির গ্রুপের মনির আলম, কামাল প্রকাশ ল্যাংটা কামাল, মুস্তাফিজ, সাইফুল ইসলাম, ওসমান গণি, জানে আলম, ফারুকসহ তাদের চোরাকারবারির দল। এই মনিরের রয়েছে বিশাল একটি সিন্ডিকেট। কেউ এই চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদের কঠিন শা’স্তির সম্মুখীন হতে হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি। এভাবে জিম্মি করে রেখেছে সাধারণ মানুষকে। এদের মধ্যে রয়েছে, বালুখালীর পুরাতন রোহিঙ্গা আরমগীর অন্যতম তিনি ইতিপূর্বে মাদক মামলায় ডিবি পুলিশের হাতেও আটক হয়েছিলো। শুধু তা নয় তারও রয়েছে, মাদক, হত্যা, মারামারি, চুরিসহ ডজনখানেক মামলা বিজ্ঞ আদালতে চলমান রয়েছে।
আমাদের অনুসন্ধানে আরে উঠে এসেছে, এই মনির রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের সাথে আঁতাত করে ক্যাম্পে অস্ত্র ও মাদক পাচার করছেন। তিনি ক্যাম্পে বাহিরে থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনীর সাথে অস্ত্র ব্যবসা কর যাচ্ছেন। এই গ্রুপের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে তাকে মারধরসহ বিভিন্ন নির্যাতন করা হয়, শুধু তা নয় হত্যাকান্ডের মতো জঘন্যতম অপরাধও করা হয়।
এই মাদক সম্রাট বাহিনীর মধ্যে শাহজাহানের হ’ত্যা’কারী এজাহার ভুক্ত ১নাম্বার আসামী মনির আলম (৩০) তৎকালীন সময়ে বিজিবির হাতে আটক হয়ে কারাগারেও গিয়েছিলেন।
গত ১১ এপ্রিল কোস্টগার্ড ও র্যাব-১৫ এর যৌথ অভিযানে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে এবং ২১ জন আসামী গ্রেফতার করে। তবে এই সময় লেবার গুলো আটক হলেও এদের মতো মাদক সম্রাট মাফিয়ারা আটক হচ্ছে না। যার ফলে দিন দিন বেপরোয়া হচ্ছে শীর্ষ মাদক কারবারিরা৷
এই বিষয়ে সীমান্তের মাদক সম্রাট মাফিয়া খ্যাত মনিরের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।